ঢাকা , বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ , ১২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রেমানন্দের আশ্রমে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়লেন পুনম পাণ্ডে! গুরুর থেকে প্রশ্নের উত্তর পেলেন তিনি? ঘটা করে নতুন বান্ধবী মাহিকার জন্মদিন উদ্‌যাপন করলেন হার্দিক, চুপ থাকার সিদ্ধান্ত নিলেন নাতাশা? সানি, কপিলদের আবেদনে কাজ হল! চোখের চিকিৎসার জন্য ইসলামাবাদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হল ইমরানকে তানোরে বিশিষ্ট সমাজসেবক প্রয়াত সাত্তার স্মরণে দোয়া ও ইফতার মাহফিল কুখ্যাত ‘মাদক সম্রাট’কে ধরতে মেক্সিকোর সেনাকে ‘সাহায্য’ করেছেন তাঁরই প্রেমিকা! ‘কূটনৈতিক সমাধান চান ট্রাম্প, তবে প্রয়োজনে প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগ হবে’! বৈঠকের আগে ইরানকে বার্তা আমেরিকার বাস থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগে যুবক আটক মায়ের মৃত্যুর ২ দিন পর বাবারও মৃত্যু, আবারও প্যারোলে মুক্তি নিয়ে জানাজায় দুই ভাই তিন শ্রেণির নাগরিক আগে পাবেন ফ্যামিলি কার্ড প্রধানমন্ত্রীর পদক্ষেপ, অপহরণের ১ ঘণ্টার মধ্যে উদ্ধার স্কুলছাত্র রুগ্ন ও বন্ধ শিল্প কারখানা পুনরায় চালুর উদ্যোগ নিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে পিলখানায় হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য কারণ এখন বোধগম্য: প্রধানমন্ত্রী রাজাপুরে ইয়াবা সহ ছাত্রলীগের দুই মাদক কারবারি আটক তানোরের মুন্ডুমালায় জামায়াতের ইফতার মাহফিল গাবতলীতে মরহুমা হাজীবিবি হায়াতুন নেছা তালুকদারের ৩৩ তম মৃত্যু বার্ষিকী পালিত চাঁদাবাজ দখলবাজ,চাঁদাবাজ ও দূর্বৃত্তয়নের স্থান এই জনপদে হবে না --- এমপি রেজাউল ইসলাম পুঠিয়া এসিল্যান্ড শিবু দাশের বাজার মনিটরিং রাসিকের কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার লক্ষ্যে গঠিত কমিটির ৯ম সভা অনুষ্ঠিত ভারতে পাচারকালে রাজশাহীতে দূর্লভ কষ্টি পাথরের মুর্তি জব্দ বিজিবি নগরীতে গাঁজাসহ শামীম গ্রেফতার

রাজশাহী অঞ্চলে নিষিদ্ধ কীটনাশকে বাজার সয়লাব

  • আপলোড সময় : ৩১-০৭-২০২৫ ০১:৫২:৫৯ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ৩১-০৭-২০২৫ ০১:৫২:৫৯ অপরাহ্ন
রাজশাহী অঞ্চলে নিষিদ্ধ কীটনাশকে বাজার সয়লাব রাজশাহী অঞ্চলে নিষিদ্ধ কীটনাশকে বাজার সয়লাব
রাজশাহী অঞ্চলে নিষিদ্ধ কীটনাশকে বাজার সয়লাব হয়ে উঠেছে। কীটনাশক আসল-নকল,ভেজাল না নিম্নমানের সেটা বোঝার ক্ষমতা নাই অধিকাং কৃষকের। আর কৃষকদের এই সরলতার সুযোগ নিচ্ছেন একশ্রেণির মুনাফাখোর অসাধু কীটনাশক ব্যবসায়ী। অন্যদিকে কৃষি বিভাগের মাঠ পর্যায়ের একশ্রেণীর কর্মকর্তা কোম্পানির কাছে থেকে অবৈধ সুবিধা নিয়ে এসব কীটনাশক কিনতে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করছে বলেও জনশ্রুতি রয়েছে। 

এদিকে বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান (বারসিক) এর গবেষণায় উঠে এসেছে রাজশাহীর ৯৯ ভাগ কীটনাশকের দোকানেই পাওয়া যাচ্ছে নিষিদ্ধ কীট ও বালাইনাশক। সরকার নিষিদ্ধ করে রাখলেও নানা নামে এসব কীটনাশক বাজারজাত করা হচ্ছে। এসব ব্যবহারের ফলে পরিবেশ, প্রকৃতি ও জনস্বাস্থ্য চরম হুমকির মুখে পড়েছে। শতকরা ৯৩ দশমিক ৩৭ শতাংশ ব্যবহারকারীই জানেন না এটি নিষিদ্ধ এবং বিপজ্জনক কীটনাশক। চলতি বছরেই রাজশাহীতে ‘জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশের ওপর কীটনাশকের ক্ষতিকর প্রভাব বিষয়ক মাঠ পর্যায়ে অনুসন্ধানমূলক সমীক্ষা’ শীর্ষক এক গবেষণায় এমন চিত্র উঠে এসেছে। সমীক্ষাটি করেছেন বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান বারসিক। 

চলতি বছরের ৩০ জুলাই রাজশাহী নগরের একটি হোটেলের কনফারেন্স রুমে সংবাদ সম্মেলন করে গবেষণা প্রতিবেদন তুলে ধরা হয়। গবেষণা প্রতিবেদনটি তুলে ধরেন বারসিকের আঞ্চলিক সমন্বয়ক শহিদুল ইসলাম।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, রাজশাহীর ৮টি উপজেলার ১৯টি কৃষিপ্রধান গ্রামাঞ্চলে মাঠপর্যায়ে তথ্য সংগ্রহ, ভুক্তভোগীদের কেস স্টাডি, স্থানীয় কীটনাশক ডিলার, দোকানদার, পরিবেশক এবং উপজেলা পর্যায়ের কৃষি কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন দপ্তরের প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলে সমীক্ষাটি তৈরী করা হয়েছে। এতে দেখা গেছে, নিষিদ্ধ কীটনাশক ব্যবহার করে শতকরা ৬৮ শতাংশ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। আর কীটনাশকের ৯৯ ভাগ দোকানেই দেশে নিষিদ্ধ হওয়া কীটনাশক পাওয়া যাচ্ছে বিভিন্ন নামে। এসব নাম দেখে বোঝার উপায় নেই এটি নিষিদ্ধ, কিন্তু বোতলের গায়ে নিচের দিকে জেনেরিক নাম খুব ছোট করে লেখা থাকে।

বাংলাদেশসহ আন্তর্জাতিকভাবে নিষিদ্ধ বা যেসব কীটনাশক এখনও পাওয়া যাচ্ছে সেগুলো হলো- জিরো হার্ব ২০ এসএল (প্যারাকোয়াট), ফুরাডান ৫জি (কার্বোরাইল), এরোক্সান ২০ এসএল (প্যারাকোয়াট), গ্যাস ট্যাবলেট (অ্যালুমিনিয়াম ফসফাইড), কার্বোফোরান ৩ জিএসিআই (কার্বোফোরান) ইঁদুর মারা বিষ (বডিফ্যাকোয়াম) ও তালাফ ২০ এসএল (প্যারাকোয়াট)। এই প্যারাকোয়াট বা ঘাস মারা বিষ অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। অনেকে না বুঝে এগুলো আত্মহত্যার উদ্দেশ্যে পান করেন। দ্রুত সময়ের মধ্যে তাদের কিডনি নষ্ট হয়ে গিয়ে মারা মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, বাজারে অহরহ এসব নিষিদ্ধ কীটনাশক পাওয়া যাচ্ছে, যেটি দেখার জন্য সরকারের কোন তদারকি নেই। এসব নিষিদ্ধ কীটনাশক ব্যবহার করে কৃষক ও সাধারণ মানুষের মধ্যে আত্মহত্যার প্রবণতা বেড়েছে। নিষিদ্ধ কীটনাশক কীভাবে বাজারে বিক্রি হয়, কৃষি বিভাগের দায়িত্ব কী সে বিষয়েও সংবাদ সম্মেলন থেকে প্রশ্ন তোলা হয়। সংবাদ সম্মেলনে নিষিদ্ধ কিছু কীটনাশকও আনা হয়। এগুলো যে দোকান থেকে কেনা হয়েছে তার রশিদও দেখানো হয়।

এসব দেখিয়ে বারসিকের নির্বাহী পরিচালক পাভেল পার্থ বলেন, ‘এগুলো তো বাজারে পাওয়া যাচ্ছে। আমরা কিনেছি। রশিদও আছে। কিন্তু এগুলো নিষিদ্ধ। অথচ আমরা এগুলো হাজির করতে বাধ্য হয়েছি। এই গবেষণা একটি ফৌজদারি অপরাধকে খুঁজে পেয়েছে। কিন্তু সে বিষয়ে কেন ব্যবস্থা নেওয়া হয় না, সেটাই বড় প্রশ্ন। সংবাদ সম্মেলনে বেশকিছু সুপারিশ তুলে ধরা হয়। এর মধ্যে নিষিদ্ধ কীটনাশকের ব্যবহার কঠোরভাবে বন্ধ করা, কীটনাশক আইন ও বিধির প্রয়োগ করা, কীটনাশক সম্পর্কিত স্বাস্থ্য তথ্য নিবন্ধন কর, কীটনাশকের ফলে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ক্ষতিগ্রস্থদের ক্ষতিপূরণের জন্য তহবিল গঠন করার সুপারিশ করা হয়।

নিউজটি আপডেট করেছেন : Rajshahir Somoy

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
ভারতে পাচারকালে রাজশাহীতে দূর্লভ কষ্টি পাথরের মুর্তি জব্দ বিজিবি

ভারতে পাচারকালে রাজশাহীতে দূর্লভ কষ্টি পাথরের মুর্তি জব্দ বিজিবি